‘রিফিউজি’ ১৫ বছর আগের বিহারিদের নানা সঙ্কট নিয়ে বিহারি ক্যাম্পের গল্প

বৃষ্টির দিনে ফরমায়েশি কাজ করতে ইচ্ছে করে না। মন যা চায় তাই করতে হয়। রাতে দীর্ঘ বিরতির পর সাবস্ক্রাইব করা হইচই তাই সকাল সকাল খুলে বসে পড়লাম। শুরু হলো ‘রিফিউজি’ অধ্যায়।
বিহারি ক্যাম্পের গল্প। সময়টা প্রায় ১৫ বছর পেছনে। একজন ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসী ‘কার্বন’ সেখানে আস্তানা গড়েছে। তাকে ধরতে মিশনে নেমেছেন চৌকষ ইন্টেলিজেন্স অফিসার মারিয়া। ইনফর্মার ইকবাল জানিয়ে দিচ্ছে নানান তথ্য। আস্তে আস্তে গল্পের বিভিন্ন দিক উন্মোচন হয়। উঠে আসে বিহারিদের জীবনের নানা সঙ্কট।
প্রায় এক বসায় শেষ করতে হয়েছে সিরিজটি। মাঝে নামাজের বিরতি নিতে হয়েছে।
অভিনয়ে অনবদ্য ছিলেন সোহেল রানা। ‘ভাইছা’ খ্যাত এ অভিনেতার ইনফর্মার ইকবাল চরিত্রে অভিনয় ছিল দূর্দান্ত। ভালো লেগেছে তার উপস্থিতি।
জাকিয়া বারী মম সবসময় অসাধারণ অভিনয় করেন। ওটিটি প্ল্যাটফর্মে তার প্রতিভা যেন আরো সৌরভ ছড়াচ্ছে। রাফ এন্ড টাফ চরিত্রে মম অনবদ্য। তাকে পর্দায় দেখে তৃপ্তি পেয়েছি। অন্য একটি ওয়েব সিরিজের মতো এখানে তাকে চেইন স্মোকার হতে হয়নি। এজন্য হয়তো আরো ভালো লেগেছে।
একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র ‘ওয়াসিম’। এ চরিত্রে সিরাজ শরীফকে ভালো লেগেছে। ‘কার্বন’ চরিত্রে আফজাল হোসেনকে ঠিক ভয়ঙ্কর লাগেনি। তার অতীত আরো বিস্তারিত এলে বোধহয় আরেকটু জমতো।
শাহেদ আলী, মনির খান শিমুল এবং অন্যরা ছিলেন ভালো। নিজেদের চরিত্রের প্রতি সুবিচার করেছেন প্রায় সকলেই। পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ছিল বলেই হয়তো কাজটাও দাঁড়িয়েছে দারুণভাবে। ইমতিয়াজ হোসেনের পরিচালনা ভালো ছিল।
‘রিফিউজি’র মত কাজ নিয়মিত হোক। দেশীয় শিল্পী ও নির্মাতাদের জন্য উন্মুক্ত হোক অবারিত কাজের সুযোগ।আবদুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ – এর কাছ থেকেও চাই আরো কাজ।
তারেক মুহাম্মদ