গুনী শিল্পী সন্ধ্যা রায়ের জন্মদিনে শুভেচ্ছা

কাঁটাবন মসজিদের উল্টোদিকেই ছিলো তা তুং রেস্তোরাঁ। সেখানেই ঘটেছিলো ঘটনাটা। “এসো দাদা” বলে হাত দিয়ে কাছে টেনে নিয়েছিলেন সন্ধ্যা রায়। আমি তখন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে পড়ি। ফিল্ম সোসাইটি করি। আলমগীর কবিরের বেটার সিনেমা ফ্রন্ট এর যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক। রাজেন তরফদার সহ এসেছিলেন সন্ধ্যা রায়। রেস্তোরাঁয় মিটিং। আমাদের সংগে আখতারুজ্জামান ভাই রফিকুজ্জামান ভাই, অভিনয় দাদা, দীপেন, চিশতি, মৃদুল সহ ক’জন। মিটিং শেষে নিচে নেমেছি। ছবি তুলছিলো মৃদুল। কাঁটাবন মোড়ে তখন আমরা। গাড়িতে ওঠার আগে সন্ধ্যা রায় হাত ধরে টেনে নিলেন। ছবি তুললো মৃদুল। অভিনয় দা’ তখন সাপ্তাহিক সিনেমা’র নির্বাহী সম্পাদক। মৃদুলের কাছ থেকে ছবির নেগেটিভ রিলটা নিয়ে গেলেন। সেই ছবিসহ বেশ কটি ছবি মিটিং এর বিশাল রিপোর্ট সহ ছাপা হলো। চিত্রালী আর পূর্বানী তে নিউজ হলো তরুন মজুমদার আর সন্ধ্যা রায়ের আলাদা ছবি দিয়ে। কিন্তু মৃদুলের তোলা সেই ছবির রিল আমি আর খুঁজে পাইনি। হারিয়ে গেছে পালংক, অশনী সংকেত, ফুলেশ্বরী, সহ অনেক ছবির খ্যাতিময়ী নায়িকা এবং একদা রাজ্যসভার সদস্য সন্ধ্যা রায়ের সংগে আমার সেই স্মৃতি। যশোরের মেয়ে হলেও সন্ধ্যা রায়ের জন্ম হয়েছিলো ১১ এপ্রিল, তাঁর মামা বাড়ি নবদ্বীপে। জন্মদিনের শুভেচ্ছা এই গুনী শিল্পীকে।
মুজতবা সউদ