এবার ধারাবাহিক নাটকে মিশা সওদাগর

চলচ্চিত্রের একজন বলিষ্ঠ অভিনেতা মিশা সওদাগর।সবাই যাকে খলঅভিনেতা হিসেবে একবাক্যে চিনেন। যদিও শুরুতে তিনি চেয়েছিলেন নায়ক হতে,কিন্তু খ্যাতি পেয়েছেন খলনায়ক হিসেবে। এরই মধ্যে হাজারের বেশি ছবিতে দাপটের সঙ্গে অভিনয় করেছেন। তবে এতো বছরেও তাঁকে কোনো নাটক বা টেলিফিল্মে তেমন ভাবে দেখা যায়নি।
সম্প্রতি ‘আতর রাশি ও দুষ্টু বালিকারা’ শিরোনামের ধারাবাহিক নাটকে অভিনয় করেছেন মিশা সওদাগর। এটি রচনা, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন তারিক মুহাম্মদ হাসান। এতে ‘ইনসাফ ভাই’ চরিত্রে দেখা যাবে মিশা সওদাগরকে।
এ প্রসঙ্গে অভিনেতা মিশা সওদাগর বলেন, ‘এর আগেও কিছু নাটকে কাজ করেছি। গল্প ও চরিত্র পছন্দ না হওয়ায় অনেক দিন কাজ করা হয়নি। এবার একটি ধারাবাহিকে কাজ করলাম। এর গল্প এতটাই ভালো লেগেছে যে আর না করতে পারিনি। শিল্পী হিসেবে অভিনয়ের যে খিদে রয়েছে, তা মেটাতেই এ নাটকে কাজ করেছি।’
চলতি মাসের ১৯ আগস্ট থেকে প্রতি বুধ, বৃহস্পতি ও শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টায় নাগরিক টেলিভিশনে প্রচার হবে নাটকটি। এ ধারাবাহিকে আরো অভিনয় করেছেন চম্পা, নাবিলা ইসলাম, প্রিয়াঙ্কা জামান, সাব্বির অর্ণব, মুশফিক ফারহান, আল মনসুর, ফারুক আহমেদ, চাষী আলম, কাজল সুবর্ণসহ অনেকে।
১৯৮৬ সালে এফডিসি আয়োজিত নতুন মুখ কার্যক্রমে নির্বাচিত হয়ে সিনেমায় যাত্রা শুরু করেন মিশা সওদাগর। ছটকু আহমেদ পরিচালিত ‘চেতনা’ সিনেমার মধ্য দিয়ে ১৯৯০ সালে নায়ক হিসেবে তাঁর আত্মপ্রকাশ ঘটে। ‘অমরসঙ্গী’ সিনেমাতেও তিনি নায়কের ভূমিকায় অভিনয় করেন, কিন্তু দুটির একটিও ব্যবসায়িক সাফল্য পায়নি।
পরে বেশ কয়েকজন পরিচালক তাঁকে খলনায়ক হিসেবে অভিনয়ের পরামর্শ দেন। প্রথমে তমিজ উদ্দিন রিজভীর ‘আশা ভালোবাসা’ সিনেমায় খলনায়কের চরিত্রে অভিনয় করেন মিশা। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে। খলনায়ক হিসেবে নিজেকে বড়পর্দায় প্রতিষ্ঠিত করেছেন। এরই মধ্যে তিনি হাজারের বেশি ছবিতে অভিনয় করেছেন। বর্তমানে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মিশা সওদাগর।
রোমান রায়