মিমের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত হলো ‘কানেকশন’

এই সময়ের জনপ্রিয় দুই তারকা তাহসান ও মিম প্রথম জুটি বেঁধে একটা সিনেমা করছেন, যার নাম ‘কানেকশন’।গত ২৪ ঘণ্টা আগেই সেই সিনেমাটি মুক্তির আলোয় পাখা মেললো অন্তর্জালে। এই সিনেমায় অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজক হিসেবেও আছেন বিদ্যা সিনহা মিম। বিদ্যা সিনহা মিমের নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলে সিনেমাটি প্রকাশের পর মুগ্ধতা ছড়িয়ে যাচ্ছে নেটিজেনদের মনে। কারণ, ১৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড দৈর্ঘ্যের এই সিনেমাটি দেখে বেশিরভাগ দর্শক-সমালোচকের কমন মন্তব্য এমন, লকডাউনে বসে অনেকেই অনেক কিছু নির্মাণ করেছেন, তবে এই কাজটি সবচেয়ে মজবুত। গল্প, নির্মাণ, লোকেশন, অভিনয়, সম্পাদনা, সংগীত−সব কিছুরই পরিমিত মিশ্রণ ছিল ‘কানেকশন’-এ।
তাহসান খান ও বিদ্যা সিনহা মিম অভিনীত রোমান্টিক এই লকডাউন সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন রায়হান রাফী। নির্মাণ গল্প আগেই জেনেছেন, কাজটি পুরোটা তৈরি হয়েছে নিজ নিজ বাসায় বসে। ফলে এই সিনেমা সূত্রে তাহসান ও মিমের বসবাসের ঘর-দোর তার ভক্তদের দেখে নেওয়ার অসাধারণ সুযোগ তৈরি হলো সিনেমাটির মাধ্যমে।
নির্মাতা রাফী জানান, তাহসান-মিমকে নিয়ে এই কাজটি শেষ করতে তাকে ভিডিওকলে যুক্ত থাকতে হয়েছে প্রায় ১৪ ঘণ্টা! কারণ, পুরো কাজটি হয়েছে ভিডিও কলের মাধ্যমে নির্দেশনা দিয়ে। তার ভাষায়, ‘বাসায় বসে যতটুকু সম্ভব চেষ্টা করেছি। পুরো সিনেমাটি মোবাইল ফোনে ধারণ করা। কাজটি নিছকই পরীক্ষামূলক হিসেবে করেছি। জানি না কতটুকু ভালো হয়েছে, তবে আমরা চেষ্টা করেছি ঘরে বসে কিছু একটা করার।’
এদিকে ‘কানেকশন’-এর প্রযোজক, পরিবেশক ও নায়িকা মিম বলেন, ‘অনেক ছোট বাজেটের একটি কাজ। বলতে পারেন প্রযোজক হিসেবে এই কাজটির মাধ্যমে আমার অভিষেক হলো। তবে কাজটি করতে গিয়ে অনেক মানুষের সহযোগিতা পেয়েছি। যা আশাও করিনি। বিশেষ করে তাহসান ভাই, রাফী ভাই আর মাসুদ ভাই তো আমার এই কাজটির জন্য জীবন দিয়ে দিয়েছেন! সিনেমা বানাচ্ছি, অথচ গানের কোনও পরিকল্পনা ছিল না! শেষে ইমরান মাহমুদুল গান তৈরি করে আমাদের পাশে দাঁড়ালো। উনাদের এফোর্ট ছাড়া এমন জটিল কাজ শেষ করা সম্ভব হতো না। কারণ, আমরা সবাই লকডাউনে নিজ নিজ বাসায় ছিলাম।’
কাজটি প্রসঙ্গে নায়ক তাহসান বললেন, ‘লকডাউনের শুরু থেকে ঘরে বসে শুটিং করা যায় এমন আইডিয়া মাথায় ঘুরছিল। মিম তার চ্যানেলের জন্য কাজটি করতে চাইলো। হয়ে গেলো বাসা থেকেই শুটিং!’
তাহসান জানান, ‘কানেকশন’-এর গল্পের ধারণা প্রথমে তার মাথা থেকেই বের হয়। সেটি কাগজে লিখেন রায়হান রাফী। এরপর দেরি না করে দুই দিনে নেমে যায় পুরো শুটিং। তাহসান-মিম দুজনেই নিজেদের দৃশ্যগুলো ধারণ করেন নিজেদের মুঠোফোনে।
রোমান রায়