করোনায় প্রবাসীদের পাশে ফোবানা

দীর্ঘ ৩৫ দিন যাবত করোনায় অবরুদ্ধ অনেক প্রবাসী খাদ্য সংকটে পড়েছেন। ঘরে নগদ অর্থ থাকলেও সংক্রমিত হওয়ার ভয়ে অনেকে বাসা থেকে বের হতে চাচ্ছেন না। আবার যারা ইতিমধ্যেই আক্রান্ত হয়েছেন তারাও কোয়ারেন্টাইন বা আইসোলেশনে রয়েছেন। অনেকের পরিবারে স্বামী-স্ত্রী উভয়েই আক্রান্ত হওয়ায় খাদ্যাভাবে পড়েছেন। এমন পরিস্থিতির প্রবাসীদের মধ্যে গ্রোসারী সামগ্রী বিতরণ করলো ফোবানা (ফেডারেশন অব বাংলাদেশি এসোসিয়েশন্স ইন নর্থ আমেরিকা)।
শনিবার সকাল থেকে ইফতারের আগ পর্যন্ত চাল, ডাল, আলু, ছোলা, বেসন, পেঁয়াজ, খেজুর, চা-পাতি, চিনি, সোয়াবিন তেল ইত্যাদির বস্তা গাড়িতে ভরে সংশ্লিষ্টদের বাসার সামনে রাখেন। ফোবানার কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে এই ত্রাণ তৎপরতায় অংশগ্রহণ করেন কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান জাকারিয়া চৌধুরী, ফোবানার সাবেক চেয়ারম্যান বেদারুল ইসলাম বাবলা, নির্বাহী সদস্য আবির আলমগীর এবং শহিদুল মল্লিক বাঁধন। কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধাসহ উল্লেখযোগ্যসংখ্যক প্রবাসীর বাসায় এগুলো পৌঁছে দেয়া হয়। কোবিড-১৯ আক্রান্ত অসহায় মানুষদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণের এই কর্মসূচি নিউইয়র্ক সিটি, নিউজার্সি, শিকাগোতে অব্যাহত থাকবে বলে এ সংবাদদাতাকে জানান ফোবানার চেয়ারম্যান শাহ হালিম।
অপরদিকে, চতুর্থবারের মত বৃহত্তর ওয়াশিংটনে মানুষের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করল সামনের বছরের সেপ্টেম্বরে ৩৫তম ফোবানা সম্মেলনের হোস্ট কমিটির কর্মকর্তারা। শনিবার এই খাদ্য বিতরণে অংশগ্রহণ করেন কমিটির কনভেনর জি আই রাসেল, সমন্বয়ক আওলাদ হোসেন মামুন, উপদেষ্টা সাদেক এম খান, প্রিন্স করিম, মোহাম্মদ রোমিও, রিসিপশন কমিটির কো-চেয়ারপার্সন জেবা রাসেল প্রমুখ।
উল্লেখ্য, জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের পক্ষ থেকে করোনার কারণে প্রবাসীদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রয়েছে। এর আগে জ্যাকসন হাইটস বিজনেস এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকেও গ্রোসারী সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে নিউইয়র্ক সিটির কুইন্স এলাকায়। ব্রঙ্কসে প্রায়দিনই খাদ্য-সামগ্রী প্রবাসীদের বাসায় পৌঁছে দিচ্ছেন মজুমদার ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবকরা। পিপলএনটেকের প্রদত্ত অর্থে গ্রোসারী সামগ্রী বিতরণ করার সংবাদও এসেছে নিউইয়র্ক সিটির বিভিন্ন স্থান থেকে।
আকবর হায়দার কিরণ