ভয়ের পরিবেশ তৈরি করতে ‘জ্বীন’-এর ভিএফএক্স কাজ চলছে

ভালোবাসা দিবসে মুক্তির কথা প্রকাশিত হলেও প্রযোজনা সংস্থা জাজ থেকে বলা হচ্ছে, ফেব্রুয়ারীতে মুক্তি দেয়ার কথা আমরা বলিনি, কিন্তু চলতি বছরের ফেব্রুয়ারী অথবা মার্চ মাসেই জ্বীন মুক্তি দেয়া হবে।।বর্তমানে এই ছবিটির ভিএফএক্স এর কাজ চলছে।
চলচ্চিত্র প্রযোজনা ও পরিবেশক প্রতিষ্ঠান জাজ মাল্টিমিডিয়ার ফেসবুক পেজে গতকাল সোমবার ৬ জানুয়ারি জানানো হয়েছে, জ্বীন সিনেমার শেষ ১৯ মিনিটের এন্ড ক্লাইম্যাক্স সম্পূর্ণ সিজি হবে। এখানে ২ জন দক্ষ সিজি সুপারভাইজার এসে সম্পূর্ণ শুটিং এর কাজ মনিটর করেছে। এখানে দৃশ্যের সাবজেক্ট এর সাথে সিজির সাবজেক্ট এর সংস্পর্শ আছে। আমরা সম্পূর্ণ সিজির কাজ ৪ ভাগে ভাগ করেছি ।
১। কিছু সহজ সিজির কাজ, যেটা আমরা দেশেই করছি ।
২। কিছু কাজ কলকাতার এক নাম করা সিজি হাউসে ১৮ জনের একটা টিম কাজ করছে।
৩। আমেরিকাতে অল্প কিছু কাজ করাচ্ছি, যা ভারতেও সম্ভব নয়। থ্রিডি অ্যানিম্যাল যেমন কুকুর, সাপ তৈরি করা। এটা আমেরিকাতে হচ্ছে। আর আমাদের মাসুদ রানা টিম আমাদের এই কাজে সাহায্য করছে।
৪। রেড চিলিজ মুম্বাইতেও কিছু কাজ করাচ্ছি। তারা এই থ্রিডি বডি/অ্যানিম্যাল মুভ করাবে স্ক্রিপ্ট ও সাবজেক্ট অনুযায়ী ।
আমাদের জ্বীন সিনেমার সিজির কঠিন অংশ হচ্ছে, নিখুঁত সাবজেক্ট বানানো এবং সাবজেক্টকে নিখুঁত ভাবে স্ক্রিপ্ট অনুযায়ী মুভ করানো শুধু এই দুইটা কাজ করাচ্ছি আমারা হলিউড ও বলিউড থেকে। বাকি সব বাংলাদেশ ও কলকাতায় হবে।
অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, এই সব এর দরকার কি সিনেমাতে?
তাদের জন্য বলছি – আমাদের গল্পের জ্বীন যদি কুকুর এর রূপ ধারণ করে – তো সেই কুকুর তো জ্বীনের মত চিন্তা করবে, এবং তার কর্মকাণ্ড সেই অনুযায়ী হবে। যা কোন সাধারণ বা প্রশিক্ষিত কুকুরকে দিয়ে সেই অভিনয় করানো সম্ভব নয়। তাই আমাদেরকে সিজির আশ্রয় নিতে হয়েছে, বাস্তবতাকে সঠিক ভাবে ফুটিয়ে তুলতে। সিজিতে কুকুর বানানো খুব বেশি কঠিন কাজ নয়, কিন্তু কুকুরের লোম নিখুঁতভাবে বানানো শুধু হলিউডের পক্ষেই সম্ভব। আর কুকুরটিকে স্ক্রিপ্ট অনুযায়ী সঠিক নড়াচড়া মুম্বাই এ সম্ভব। এরপরের বাকি সিজি ঢাকা ও কলকাতায় করা হচ্ছে। জ্বীন সিনেমাটি যথাযথা ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারবে বলে আমরা বিশ্বাস রাখি। রায়হান রাফির পরিচালনায় জ্বীন-এ অভিনয় করেছেন, সজল,পূজা চেরী, রোশান ও মুন।
রোমান রায়