আজ বিশ্ব পর্যটন দিবসে সবাইকে জানাই আমন্ত্রণ

পৃথিবীর পথে হেঁটেছি পৃথিবীর বাঁকে বাঁকে দেখেছি তার সৌন্দর্য,গান দেখেছি মার্কোপোলো কিভাবে হেঁটে চলেছে মরুভূমির পর দিয়ে সেই ইটালিতে, দেখেছি ইবনে বতুতার বাড়ি সেই মরক্কোতে তাজবীর শহরে, দেখেছি টাইটানিকের জাহাজের খন্ড বিশেষ লাসভেগাসের মিউজিয়ামে, দেখেছি সাড়ে চারশো কিলোমিটার সোলার দেয় উনি বলিভিয়া,আরো দেখেছি যেখান দিয়ে মোটরসাইকেলে ভ্রমণ করেছে চে গুয়েভারা সেই আর্জেন্টিনা হতে মেক্সিকো দেখেছি তাকে সেই গভীর অরণ্যে কিভাবে তার জীবননাশ করা হয় বলিভিয়াতে, দেখেছি মাচুপিচু তার সৌন্দর্য এবং ওহপধ সেই ২০০০ বছর আগের ইতিহাস। দেখেছি ৩০০০ কিলোমিটার এসেই চীনের প্রাচীর,দেখা হয়েছে সেই কায়রো শহরে ফেরাউনের সেই মমি যেখানে সাজিয়ে রাখা হয়েছে তার সেই ছোটবেলা থেকে বড় পর্যন্ত জীবনের সমস্ত আসবার পত্র। দেখেছি সেই ইস্তাম্বুলে হযরত সাল্লাহু সাল্লাম এর পায়ের চিহ্ন রয়েছে মিউজিয়ামে সাজানো। আরো দেখেছি সেই স্বর্ণমন্দির যেখানে চারটি দরজা দিয়ে ঢুকে যে চারটি ধর্মাবলম্বীর মানুষ আর প্রতিদিন সেখানে খাওয়ানো হচ্ছে ৯০ হাজার ভিখারিকে। দেখেছি এই সাইবেরিয়ার ট্রেন জার্নি যেখানে করেছি ১১ হাজার কিলোমিটার ট্রেনের জার্নি সেই ট্রানসেলভেনিয়া থেকে শুরু করে দিয়েছি ইউরো ঘুরেছি সেন্ট্রাল এশিয়ার সেই তুর্কেমেনিস্তানের সাদা শ্বেত পাথরের শহর, আরো দেখেছি নরকের দরজা যেখানে জ্বলছে আগুন আর আগুন ১৯৫৩ সাল থেকে। বৈকাল রতে সুপ্রিয় পানীয় পান করেছি।সেই আইফেল টাওয়ার কিংবা স্ট্যাচু অফ লিবার্টি সেটাতো ছিল হাতের মুঠোয়, কখনওবা হেঁটেছি সেই লাসভেগাসে বলিভার জেগেই রাস্তার কোন শেষ নাই, কখনওবা সেই মেক্সিকোর মঁহড়যধঃঁ ছোট শহরের লাল-নীল সৌন্দর্য,দেখেছি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বস্তি যেখানে আছে ব্রাজিল শহরের রিও দা জেনেরতে। আরো দেখেছি পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট দেশ ভ্যাটিকান সিটি যেখানে পবিত্র রয়েছেন সেখানে, আরো দেখেছি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় প্রাণী তিমি মাছ কে সেইটাতে ঞড়হমধ সমুদ্রতে।
এতকিছু দেখার পরও মনে হয় কিছুই দেখিনি ,কিছুই জানিনা। দেখেছি হাজার হাজার মানুষকে হয়েছে নতুন বন্ধু ,নতুন দেশ খেটেছি নতুন কাজে জীবন-জীবিকার দায়। পৃথিবীর পর্যটন কে দেখার যে পিপাসা তা কখনোই মিটবে না আমার, আজ বিশ্ব পর্যটন দিবসে সবাইকে জানাই আমন্ত্রণ, বিশ্বকে দেখুন ,বিশ্বকে জানুন আর বিশ্বকে দেখলেদেখবেন নিজেকেও জেনে যাবেন শুধুমাত্র সেই ছোট্ট দেশের কোনায় বসে না থেকে বিশ্বকে জানুন ।
কাজী আসমা আজমেরী