গভীর শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা চলচ্চিত্র গ্রাহক সাধন রায়ের স্মৃতির প্রতি

সাধন রায়। চলচ্চিত্র গ্রাহক। শুধু এটুকু বলে থেমে যাওয়া যাবেনা। তিনি নিজেই যেন এ দেশের চলচ্চিত্র শিল্পের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। চট্টগ্রামে জন্ম নেয়া এই মানুষটি সহকারী চিত্রগ্রাহক হিসেবে কাজ শুরু করেন কলকাতায়। প্রমথেশ বড়ুয়া সহ বেশ ক’জন গুণী পরিচালকের ছবিতে সহকারী চিত্রগ্রাহকের কাজ করে তিনি নিজেই হয়ে ওঠেন একজন পারদর্শী চিত্রগ্রাহক। দেশ বিভাগের পর চলে আসেন এ দেশে। কিন্তু সে সময় নিজে একক চিত্রগ্রাহক না হয়ে ইংল্যান্ডের ওয়াল্টার ল্যাসালির প্রধান সহকারী হয়ে কাজ করেন এ জে কারদার পরিচালিত “জাগো হুয়া সাভেরা” ছবিতে। শেখার নেশা ছিলো তার। কিন্তু এই নেশায় তাঁকে পরিনত করে এক মহান শিক্ষকে। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে চিত্রগ্রহণের উৎকর্ষ সাধনে তাঁর ভুমিকা ইতিহাস হয়ে থাকবে। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে চিত্রগ্রহণের ক্ষেত্রে যারা চিরদিনই দেদীপ্যমান তাঁরা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সাধন রায়ের ছাত্র। তার চিত্রগ্রহণকৃত ছবির সংখ্যা প্রায় ৬০টি। পেয়েছেন জাতীয় পুরস্কার সহ নানান পুরস্কার, পদক ও সম্মাননা। সাধন রায় ১৯৮৮ সালের ২৯ জানুয়ারি প্রায়াত হন। গভীর শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা এই মহীরুহ চলচ্চিত্র গ্রাহকের স্মৃতির প্রতি।সাধন রায়। চলচ্চিত্র গ্রাহক। শুধু এটুকু বলে থেমে যাওয়া যাবেনা। তিনি নিজেই যেন এ দেশের চলচ্চিত্র শিল্পের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। চট্টগ্রামে জন্ম নেয়া এই মানুষটি সহকারী চিত্রগ্রাহক হিসেবে কাজ শুরু করেন কলকাতায়। প্রমথেশ বড়ুয়া সহ বেশ ক’জন গুণী পরিচালকের ছবিতে সহকারী চিত্রগ্রাহকের কাজ করে তিনি নিজেই হয়ে ওঠেন একজন পারদর্শী চিত্রগ্রাহক। দেশ বিভাগের পর চলে আসেন এ দেশে। কিন্তু সে সময় নিজে একক চিত্রগ্রাহক না হয়ে ইংল্যান্ডের ওয়াল্টার ল্যাসালির প্রধান সহকারী হয়ে কাজ করেন এ জে কারদার পরিচালিত “জাগো হুয়া সাভেরা” ছবিতে। শেখার নেশা ছিলো তার। কিন্তু এই নেশায় তাঁকে পরিনত করে এক মহান শিক্ষকে। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে চিত্রগ্রহণের উৎকর্ষ সাধনে তাঁর ভুমিকা ইতিহাস হয়ে থাকবে। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে চিত্রগ্রহণের ক্ষেত্রে যারা চিরদিনই দেদীপ্যমান তাঁরা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সাধন রায়ের ছাত্র। তার চিত্রগ্রহণকৃত ছবির সংখ্যা প্রায় ৬০টি। পেয়েছেন জাতীয় পুরস্কার সহ নানান পুরস্কার, পদক ও সম্মাননা। সাধন রায় ১৯৮৮ সালের ২৯ জানুয়ারি প্রায়াত হন। গভীর শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা এই মহীরুহ চলচ্চিত্র গ্রাহকের স্মৃতির প্রতি।
মুজতবা সউদ