পদ্মার চরে পরীমনি

কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে এক সপ্তাহের অস্থিরতা পেরিয়ে ফের শুটিংয়ে পাখা মেললেন পরী। আজ বইমেলা তো কাল পদ্মার চর—বিরামহীন, উচ্ছল!
নেট জগতে শুটিং লোকেশনের ছবি দিয়ে ভক্তদের মাঝে টাইম টু টাইম মুগ্ধতার আবেশ ছড়াচ্ছেন এই অভিনেত্রী। গহতকাল বিকালটুকু পরীমনি কাটালেন পদ্মার চরে, পূবালী বাতাসে চুল মেলে দিয়ে। সেলফি তুলে ফেসবুক ক্যাপশনে জানান দিলেন মনের উড়ু উড়ু ভাব, ‘পদ্মার বাতাসে উড়ে গেছে সব।’ বলতে চাইছেন হয়তো, মগজে ভার্টিগো রোগে চেপে বসা সকল দুশ্চিন্তা উড়ে গেলো পদ্মার পাগলা বাতাসে। এদিন বেলা ৩টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ‘মুখোশ’ ছবির শেষাংশের শুটিংয়ে অংশ নেন পরীমনি ও রোশান। কলকাতা থেকে এসেই মঙ্গলবার একই ছবির শুটিংয়ে ছুটে যান বাংলা একাডেমির বইমেলায়।
শুধু মাঠে বা নেটে নয়, পর্দাতেও দারুণ মুগ্ধতা ছড়াচ্ছেন ‘স্বপ্নজাল’-খ্যাত এই অভিনেত্রী। এই করোনাকালেও চয়নিকা চৌধুরীর ‘বিশ্বসুন্দরী’ দিয়ে টানা ১০০ দিন শাসন করেছেন দেশের প্রেক্ষাগৃহ। গেল সপ্তাহে সেটি নামলো বটে, উঠলো পরীর নতুন ছবি ‘স্ফুলিঙ্গ’। এটির নির্মাতা তৌকীর আহমেদ। প্রদর্শনে মিলছে ভালোই প্রশংসা। সামনে আসছে রায়হান জুয়েলের বিশেষ ছবি ‘অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন’। শুটিং বাকি আছে রাশিদ পলাশের ‘প্রীতিলতা’ ও সঞ্জয় সমদ্দারের ‘বায়োপিক’। এই তালিকা ধরে আগাম ধারণা করা যায়, করোনার প্রকোপ বাড়ুক আর কমুক—পর্দার ক্ষমতাধর নায়িকা হিসেবে পরীর শাসন ব্যবস্থায় ঘাটতি হবে না চলতি বছরে; যদি শরীর সায় দেয়। কারণ, খবর মিলেছে, পরী পাখি বটে, তবে মগজে তার বাসা বেঁধেছে একদল প্রজাপতি! অসুখ প্রসঙ্গে কলকাতা থেকে ফিরে পরী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘মাথা নষ্ট আমার! কখনও মাথা ঘোরে। কখনও মনে হয় চারপাশটা ঘোরে। এ এক অসহ্য অসুখ। চিকিৎসক বলেছেন অসুখটির নাম ভার্টিগো। যদিও মাথার এক্সরে প্লেট দেখে মনে হলো আমার মগজে কিছু রঙিন প্রজাপতি বাসা বেঁধেছে! একগাদা টেস্ট শেষে এক বস্তা ওষুধ নিয়ে ঢাকায় ফিরেছি। জানি না, এই প্রজাপতি অসুখ থেকে মুক্তি পাবো কবে।’
রোমান রায়