বিদ্যার ভাগ্যের চাকা ঘুরে যাওয়ার রহস্য

বিদ্যা বালান। বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী তিনি। মাস্টারস করার পর ক্যারিয়ারের শুরুটা একেবারেই জমেনি বিদ্যার। মিউজিক ভিডিও থেকে বিজ্ঞাপনের কাজ কি করেননি তিনি! কিন্তু কোনওভাবেই সফলতা তার কাছে আসছিল না। প্রথম বড় ব্রেক পেলেন বাংলা ছবিতে। ২০০৩ সালে ‘ভালো থেকো’ ছবি দিয়েই কাজ শুরু হয় নায়িকার। পরমব্রত ও বিদ্যার অভিনয়ে মুগ্ধ হয়েছিল দর্শক। এই বছরেই সঞ্জয় দত্ত ও সাইফ আলী খানের সঙ্গে তাকে হিন্দি ছবিতে কাজ করতে দেখা যায়। ছবির নাম ‘পরিণীতা’। তুমুল জনপ্রিয় হয় এই ছবি। ব্যস ঘুরতে থাকে বিদ্যার ভাগ্যের চাকা। শাহিদ কাপুর, অভিষেক বচ্চন, থেকে শুরু করে বলিউডের বহু জনপ্রিয় অভিনেতার সঙ্গেই তিনি কাজ করেন। তবে ‘কাহানি’, ‘দ্য ডার্টি পিকচার’-এর মতো ছবি বিদ্যার জীবন বদলে দেয়। তিনি এমন একজন অভিনেত্রী হিসেবে নিজেকে প্রমান করেন, যে কিনা একাই টেনে যেতে পারেন গোটা ছবি। নায়ক নয় বিদ্যার ছবি তৈরি হয় নায়িকাকে ভেবে। ‘তুমহারি সুলু’র মতো ছবিতে অভিনয় করে বিদ্যা বোঝান, নায়ক ছাড়াই শুধু মাত্র নায়িকার দমেই চলতে পারে সিনেমা। তবে বিয়ের পর বিদ্যার কাজ অনেকটাই কমেছে। তিনি সিদ্ধার্থ রায় কাপুরকে বিয়ে করে একেবারে সংসারি হয়ে যান। মাঝে মধ্যে একটু আধটু কাজ করলেও, তেমন বড় ছবি করতে দেখা যায়নি তাকে। যেমন অভিনেত্রী রানি মুখোপাধ্যায়ও বিয়ের পর কাজ কমিয়েছেন। বলিউডকে বিয়ের পর বিদায় জানিয়েছেন প্রীতি জিন্তা, শিল্পা শেঠি, নেহা ধুপিয়ারা। তবে বিদ্যা বলিউড ছাড়েননি। কাজ কিছুটা কমেছে। আসলে এখন সময় কিছুটা বদলেছে। নতুনদের জমি ছাড়তে হয়েছে সব সময় সবাইকেই। এই অভিনেত্রীরাও সেই পথেই চলছেন। তবে বিদ্যা যেকোনও দিন দারুণ কিছু উপহার দিতে পারেন তার ফ্যানেদের।
আলমগীর কবির