প্রাণঘাতী করোনার মুখোমুখি যুদ্ধে মানবতার ফেরিওয়ালা শেখ রুনা

বিশ্বে চলছে স্মরণকালের ভয়াবহতম প্রাণঘাতী করোনার মহাদুর্যোগের মহারণ। যেখানে ইতিমধ্যেই সারাবিশ্বে প্রাণ হারিয়েছে প্রায় সাড়ে লাখ এবং আক্রান্ত প্রায় ৫৪ লাখ মানুষ। আজকের এই নির্মম বাস্তবতায় বীরের ভূমিকায় থেকে সম্মুখ যুদ্ধে করোনাকে রুখে দেবার প্রত্যয় নিয়ে মোকাবেলা করে যাচ্ছেন শত শত হৃদয়বান ডাক্তার, নার্স, স্বাস্থ্য কর্মীগণ,সেনাবাহিনী,পুলিশ, সংবাদকর্মীরা। তেমনি এক সম্মুখ করোনা যোদ্ধা রিজেন্ট হাসপাতালের পরিচালক শেখ রুনা। বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে মানুষ যেখানে নিজের জিবন বাঁচাতে ব্যাস্ত সেখানে শেখ রুনা নিজেকে উৎসর্গ করলেন করোনা রোগীদের সেবায়।
মানবিকতার প্রকৃষ্ট উদাহরণ তিনি। পরিবার পরিজন ছেড়ে, জীবনের সর্বোচ্চ ঝুঁকি নিয়ে, দেশের মানুষের প্রতি দায়িত্ব সচেতন হয়ে দিনরাত করোনা আক্রান্তদের সেবা করে যাচ্ছেন শেখ রুনা । প্রতিদিন খবরের শিরোনামে উঠে আসছে একের পর এক ডাক্তার আক্রান্তের সংবাদ। তাও করোনা আক্রান্তদের পাশে থেকে তিনি কখনোই পিছপা হননি। বরং নিজে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন কি না তা ১ সপ্তাহ পর পর পরীক্ষা করে যখন ফলাফল নেগেটিভ আসে তখন আবার পূণরায় করোনা রোগীদের সেবায় নেমে পড়েন।
পরিবারের পিছুটান উপেক্ষা করেই দেশ সেবায় পা বাড়িয়েছেন তিনি। প্রথমসারিতে দাঁড়িয়ে জীবন বিপন্ন করে মানুষকে বাঁচিয়ে তোলার চেষ্টা করে চলেছেন প্রতিটা মুহূর্তে।
শেখ রুনা ইতিমধ্যেই তার কর্মে স্থান করে নিয়েছে অনেকের হৃদয়ে। করোনা রোগীদের পাশে তিনি যেখাবে দাড়িয়েছেন তা ইতিহাসে বিরল। করোনা রোগীদের পাশাপাশি তিনি যদি শুনেন সাংবাদিক কিংবা তাদের পরিবারের কেউ আক্রান্ত হয়েছেন তখন তিনি নিজের পরিবারের সদস্য মনে করে তাদের সেবা প্রদান করেন।
প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের কারণে মানুষ জীবন–মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন শেখ রুনার মত মানবতার ফেরিওয়ালারা । শেখ রুনার মত মানুষ আছে বলেই হয়তো করোনায় জিবন মৃত্যুর সানিধ্যেও মানুষ বুক ভরে বাঁচার শ্বপ্ন দেখে। তাদের এ অবদানের কথা মানুষ কখনোই ভুলবে না। স্যালুট শেখ রুনা।
আলমগীর কবির