ডিআইজি হাবিবুর রহমান: করোনায় অনুপ্রাণিত করেছেন পুলিশ ও ব্যবসায়ীদের

করোনা ভাইরাস সারা বিশ্বের মানুষকে ঘরবন্দি করে ফেলেছে।প্রতিনিয়ত বাড়ছে সংক্রমিত মানুষের সংখ্যা । বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশে ছড়িয়ে পড়া এই ভাইরাসের আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে অসংখ্য মানুষ। এ অবস্থায় থমকে গেছে মানুষের স্বাভাবিক দৈনন্দিন কাজকর্ম। মানুষ ঘরে থাকতে বাধ্য। দেশে দেশে লকডাউন, কারফিউর মতো কর্মসূচি চলমান। জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকারও মানুষকে ঘরে রাখার জন্য ছুটি ঘোষণা করেছে গত ২৬ মার্চ থেকে। করোনাভাইরাসের যেহেতু প্রতিষেধক তৈরি হয়নি, তাই প্রতিরোধই একমাত্র মুক্তির পথ। আর প্রতিরোধ মানে শারীরিক দূরত্ব মেনে চলা। প্রতিরোধের এই কার্যক্রম নিশ্চিত করার দায়িত্ব পড়ে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ওপর। মাঠপর্যায় পর্যন্ত পুলিশ কাজ করে বলে তাদেরকেই মুখ্য ভূমিকা পালন করতে হচ্ছে। করোনা পরিস্থিতি পুলিশ বাহিনীর কাছে এনে দিয়েছে ভিন্ন এক বাস্তবতা। সরকারের সেই উদ্যোগ বাস্তবায়নে কাজ করছে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী। শহরের অলিগলি, গ্রামের পাড়া-মহল্লা, হাট-বাজারসহ সমগ্র বাংলাদেশের মানুষকে সচেতন করার চেষ্টা করে যাচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশ।
পুলিশে থেকেই মানুষের জন্য করার মত প্রচুর কাজ আছে। বাংলাদেশ পুলিশকে মানবিক পুলিশে রূপান্তর করা গেলে এই মানুষগুলোর অনেক সমস্যাই আর থাকবে না। এই চিন্তা চেতনাকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করে চলেছেন ঢাকা রেন্জের ডিআইজি হাবিবুর রহমান। মানুষের জন্য নিজে কাজ করছেন। অনুপ্রাণিত করে চলেছেন পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের।
ঢাকা রেন্জের প্রতিটি পুলিশ সদস্যকে মানবিক পুলিশ হতে অনুপ্রানিত করেছেন ডিআইজি হাবিবুর রহমান। এর দেখাদেখি সারাদেশের পুলিশ এগিয়ে এসেছে। নিজের জীবন বা পরিবারের কথা চিন্তা না করে দিনরাত রাস্তায় কাজ করে যাচ্ছে। জনসাধারণের শারিরিক দূরত্ব নিশ্চিত করা, লাখ লাখ মানুষের হোমকোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করা, জীবাণুনাশক ওষুধ ছিটিয়ে রাস্তাঘাট জীবাণুমুক্ত করা, বিভিন্ন স্থানে অবস্থানকারী জনগণকে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া, অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার পর পরিবারের লোকজন দূরে চলে গেছে সে ক্ষেত্রেও পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা রোগীকে হাসপাতালে পৌঁছে দিচ্ছে। করোনা আক্রান্ত কোনো রোগী মারা গেলে অনেক ক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির ধর্মীয় বিধান মেনে লাশ দাফনের ব্যবস্থাও করতে হচ্ছে পুলিশকে। এসব ক্ষেত্রে বাংলাদেশের গর্বের সেনাবাহিনী মাঠ পর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাঠ পর্যায়ে দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের মানুষের শারীরিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে অনেক সময়ে তাদেরকেও সাধারণ মানুষের সংস্পর্শে আসতে হচ্ছে। ফলে পুলিশ সদস্যদেরও সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়েই যাচ্ছে। কারণ তারা জানে না কে আক্রান্ত, আর কে সুস্থ। ইতোমধ্যে অনেক পুলিশ সদস্য আক্রান্ত হয়েছে, জীবনও দিয়েছে। মানুষ কোনো রোগে আক্রান্ত হলে সেবা দেবে ডাক্তার, নার্সসহ স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীরা এটাই চিরাচরিত প্রথা। এই সঙ্কটে পুলিশের কাছে সাহায্য চেয়ে পায়নি এমন অভিযোগ এখন পর্যন্ত শোনা যায়নি। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ চালু হওয়ার পর মানুষের মধ্যে একটা আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়েছে। কোথাও কোনো অন্যায় দেখলে, কোনো সমস্যা তৈরি হলে ফোন করলেই মুহূর্তেই পুলিশ হাজির হয়ে যাচ্ছে, দ্রুত ব্যবস্থাও নিচ্ছে। ২৪ ঘণ্টাই জনগণ যেকোনো জরুরি সেবাগ্রহণ করতে পারছে। পুলিশ জনগণের বন্ধু প্রচলিত কথাটি বর্তমান সময়ে বাস্তবতায় পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশ পুলিশের প্রতিটি সদস্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে। পুলিশ বাহিনী প্রশংসনীয় উদ্যোগ, কর্মতৎপরতা, মহানুভবতা, কঠিন এই বিপদে ঝাপিয়ে পড়া, প্রতিটি নাগরিককে সুরক্ষা দিতে প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া বাঙালি জাতির জন্য অনন্য দৃষ্টান্ত।
ঘরমুখো মানুষগুলোর স্রোত থামানো নিজেই রাস্তায় ডিআইজি হাবিব:
করোনার দুঃসময়ে অবাক বাংলাদেশ দুচোখে বিস্ময় নিয়ে মানুষের দেবদূত যে বাংলাদেশ পুলিশকে দেখছে এই রূপান্তরের অন্যতম স্বপ্নদ্রষ্টা আজকের ডিআইজি হাবিবুর রহমান। সরকারের নির্দেশনা উপেক্ষা করে স্বজনদের সঙ্গে ঈদ করতে মফস্বল-গ্রামমুখো হয়েছে মানুষ। তীব্রস্রোত মানুষের। যতই মিডিয়ায় বলা হচ্ছে, সতর্ক করা হচ্ছে ; অবুঝ শিশুর মতো মানুষগুলোর ঘরমুখো স্রোত কিছুতেই থামানো যাচ্ছিলো না।
ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হাবিবুর রহমান তড়িৎ গতিতে কর্মপরিকল্পনা তৈরি তাঁর প্রশিক্ষিত চৌকস টিম নিয়ে ঢাকা থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যাওয়া -আসার পথে তৈরি করে ফেললেন পরিকল্পিত শক্ত ব্যারিকেড। তিনি নিজেই রাস্তায় মানুষকে চমৎকারভাবে বুঝিয়ে শুনিয়ে সফলভাবে ফেরাতে শুরু করলেন যার যার অবস্থানে। যেন অবুঝ শিশুদের প্রতি দায়িত্বশীল অকৃত্রিম বন্ধুর দায়িত্ব পালন। মানুষকে সর্বাত্মক বিনয়ের সঙ্গে যুক্তি আর আবেগের সমন্বয়ে পুলিশ বোঝালেন- এই বাড়িমুখো হওয়ার পরিণাম, ভয়াবহতা। করোনার এই ভয়ংকর ঝুঁকির মধ্যে মানুষের পক্ষে প্রতিরোধ গড়তে, সেবার দুহাত প্রসারিত করে হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসায় ক্ষুধা আর রোগে আক্রান্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে গিয়ে আজ প্রায় আড়াই হাজার পুলিশ সদস্য করোনায় আক্রান্ত। তারপরও কী প্রবল মনোবলে উজ্জীবিত তাঁরা। নিজে কেন রাস্তায় এমন প্রশ্নের জবাবে ডিআইজি হাবিবুর রহমান বলেন, ঢাকা ছেড়ে যাওয়াটা ঠেকানো না গেলে পরিণামটার কথা ভেবে এমন প্রবলভাবে অস্থির উঠেছি যে, নিজের কথা ভাবার কোনো অবকাশ নেই । মানুষকে বাঁচাতে হবে। মানুষ বাঁচানোটাই আজকের চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জে আমাদের জিততেই হবে। জেতাতে হবে বাংলাদেশকে।’
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও ঈদের দু’দিন আগে ঢাকার দুই প্রবেশ পথ প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাসের জন্য খুলে দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ফলে ঈদের আগে বাড়ি ফিরতে প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাসসহ ব্যক্তিগত যানবাহনে বাধা কাটল।গাবতলীতে পুলিশের দুটি চেকপোস্ট নির্দেশনা মোতাবেক ‘ইন’ও ‘আউটে’র ক্ষেত্রে তুলে নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মিরপুর ডিভিশনের দারুস সালাম জোনের এডিসি মাহফুজা আফরোজ লাকী।
করোনাভাইরাসের কারণে সাধারণ ছুটির মধ্যে গত ২৬ মার্চ হতে গণপরিবহন চলাচল বন্ধ রেখেছে সরকার। পণ্যবাহী যানবাহনে যাত্রী পরিবহন করলে আইনের কঠোর প্রয়োগের কথাও জানায় সড়ক পরিবহন বিভাগ।
গণমাধ্যম কর্মীদের ব্যক্তিগত সুরক্ষাসামগ্রী তুলে দিয়েছেন ডিআইজি হাবিব :
করোনা সংক্রমন এড়াতে গণমাধ্যম কর্মীদের ব্যক্তিগত সুরক্ষাসামগ্রী তুলে দিয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের ঢাকা রেন্জের ডিআইজি ও উত্তরণ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান। ডিআইজি হাবিবুর রহমান গণমাধ্যম কর্মীদের ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন- ঘরে থাকার জন্য যাদেরকে আমরা আহবান করছি তাদেরক ঘরে রাখার জন্য পুলিশ, তাদের চিকিৎসার জন্য ডাক্তার এবং এই খবরটি মানুষের কাছে পৌছে দেওয়ার জন্য গণমাধ্যম কর্মীরা কাজ করছেন। এ সময় পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়টিকে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবেও আখ্যায়িত করেন।
ডিআইজি হাবিব এর সাথে সংহতি প্রকাশ করেছে দেশের অনেক প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি :
খ্যাতিমান পুলিশ কর্মকর্তা ডিআইজি হাবিবুর রহমান প্রতিষ্ঠিত ‘উত্তরণ ফাউন্ডেশন’ করোনা দূর্যোগের শুরু থেকেই সমাজের অসহায় ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর অতি আপনজন হিসেবে পাশে দাড়িয়েছে, এই সময়ে উত্তরণ ফাউন্ডেশনের সাথে সংহতি প্রকাশ করেছে দেশের অনেক বড় বড় প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিবর্গ।
ভয়াবহ ‘করোনা’ দূর্যোগ মোকাবিলায় এগিয়ে এসেছেন বাংলাদেশের স্বনামধন্য ব্যবসায়ী এম এ হাশেম। পারটেক্স গ্রুপ ও পারটেক্স পরিবারের যৌথ সহযোগিতায় বাংলাদেশ পুলিশের অন্যতম ডাইনামিক ও মানবিক পুলিশ ,ঢাকা রেন্জের ডিআইজি হাবিবুর রহমান এর উত্তরণ ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে গরীব, নিম্ন মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ঘরে ঘরে পৌছে দেওয়া হয় অতি প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী।
‘পার্টেক্স গ্রুপ’ এর সহযোগিতায় বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘উত্তরণ ফাউন্ডেশন’ মুন্সীগন্জে বসবাসরত পিছিয়ে পড়া বেদে জনগোষ্ঠীর ৬৭৯টি পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করে।
দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাপালনকারী আর্থিক প্রতিষ্ঠান তথা আধুনিক ব্যাংকিং সেবার অন্যতম উদাহরণ ‘দি সিটি ব্যাংক লি.’ করোনা যুদ্ধে ‘উত্তরণ ফাউন্ডেশন’ এর সাথে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংহতির বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছে। ‘মানুষের পাশে সিটি ব্যাংক’ শ্লোগান নিয়ে এই ব্যাংকটি দেশের ২০ হাজার দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের অতি নিকটে পৌছে গেছে যথাসাধ্য খাদ্যসামগ্রী নিয়ে। উত্তরণ ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবকগণ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সিটি ব্যাংক প্রদত্ত খাদ্য সামগ্রীর একটি অংশ নিজ উদ্যোগেই দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের ঘরে ঘরে পৌছে দিচ্ছেন। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল ৯ মে ২০২০ গাজীপুরের পুবাইলে বসবাসরত তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যদের মাঝে সিটি ব্যাংক ও উত্তরণ ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন।
করোনা দূর্যোগ মোকাবিলায় ‘উত্তরণ ফাউন্ডেশন’ ও ‘চৌধুরী ক্যাম টেক্সটাইল’ এর যৌথ উদ্যোগে শরীয়তপুর জেলার গোসাইরহাট উপজেলায় বসবাসরত ৮৫০টি দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।
দেশের প্রথম বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় ‘নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি’ মহামারি করোনা যুদ্ধে অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের জন্য খাদ্যসামগ্রী নিয়ে ‘উত্তরণ ফাউন্ডেশন’ এর সাথে মানবিক কাজে শামিল হয়েছে। সুনামগন্জ জেলার সদর থানার অন্তর্গত সোনাপুর গ্রামে তথা দেশের সীমান্ত এলাকায় বসবাসরত ২৩০টি বেদে পরিবারের মাঝে উত্তরণ ফাউন্ডেশন ও নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি’র যৌথ উদ্যোগে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।
নিম্ন আয়ের মানুষ, হিজড়া, বেদে সম্প্রদায়, যৌন পল্লীর পতিতা সবাইকে সাহায্যের আওতায় এনেছেন ডিআইজি হাবিব:
করোনা প্রাদুর্ভাবে খেটে খাওয়া নিম্নআয়ের মানুষের পাশাপাশি বিপাকে পড়েছেন সমাজের তৃতীয় লিঙ্গ (হিজড়া) সম্প্রদায়ের অবহেলিত মানুষগুলোও। এসব মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হাবিবুর রহমান। তিনি ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি অফিসের সামনে শতাধিক তৃতীয় লিঙ্গের মানুষকে খাবার সামগ্রী দেন। এ ছাড়া গত কয়েকদিন ধরে ডিআইজি হাবিবের উত্তরণ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে সমাজের পিছিয়ে পড়া কয়েক হাজার হিজড়া ও বেদে সম্প্রদায়ের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। করোনা দূর্যোগ মোকাবিলায় যশোর জেলা পুলিশ’ ও ‘উত্তরণ ফাউন্ডেশন’ এর যৌথ উদ্যোগে যশোর জেলায় বসবাসরত পিছিয়ে দেওয়া তৃতীয় লিঙ্গের ৪০জন সদস্যদের মাঝে অতি প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
গত ১৬ মে ২০২০, করোনা দূর্যোগ মোকাবিলায় ‘উত্তরণ ফাউন্ডেশন’ এর উদ্যোগে ঢাকা জেলার ধামরাই থানা এলাকার কাকরান গ্রামে বসবাসরত ২৮০টি দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছ।
বৈশ্বিক মহামারি করোনা (কোভিড-১৯) দূর্যোগ মোকাবেলায় ডিআইজি হাবিবুর রহমান বিপিএম (বার), পিপিএম (বার) এর উদ্যোগে খাদ্য সহায়তা কর্মসূচীর আওতায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বেদে সম্প্রদায়ের ২ শতাধিক পরিবারের মাঝে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
গত ৭ এপ্রিল ২০২০, করোনা দূর্যোগ মোকাবিলায় ঢাকা রেন্জের ডিআইজি জনাব হাবিবুর রহমান এর ’উত্তরণ ফাউন্ডেশন’ রাজশাহী জেলায় বসবাসরত ৩১টি বেদে পরিবারের মাঝে অতি প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছে। প্রতিটি পরিবারের পক্ষ থেকে উপস্থিত মোট ৩১জন প্রতিনিধির হাতে ৬কেজি চাল, ৫কেজি আলু, ১লিটার তেল, ১কেজি পেয়াজ, ১কেজি লবন, ১প্যাকেট মুড়ি ও ১টি করে সাবান সম্বলিত প্রতিটি প্যাকেট তুলে দেয়া হয়
গত ৪ এপ্রিল ২০২০, করোনা দূর্যোগ মোকাবিলায় রাজশাহী জেলা পুলিশের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও সহযোগিতায় ঢাকা রেন্জের ডিআইজি জনাব হাবিবুর রহমান এর ’উত্তরণ ফাউন্ডেশন’ রাজশাহী জেলায় বসবাসরত তৃতীয় লিঙ্গের ৩২ জন সদস্যদের মাঝে অতি প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করে। উপস্থিত তৃতীয় লিঙ্গের প্রত্যেক সদস্যদের হাতে ১০কেজি চাল, ৫কেজি আলু, ১কেজি তেল, ১প্যাকেট লবন, ১প্যাকেট মুড়ি ও ১টি করে সাবান সম্বলিত প্রতিটি প্যাকেট তুলে দেয়া হয়।
গত ৩ এপ্রিল করোনা দূর্যোগ মোকাবিলায় রাজবাড়ী জেলা পুলিশের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ঢাকা রেন্জের ডিআইজি জনাব হাবিবুর রহমান এর ’উত্তরণ ফাউন্ডেশন’ রাজবাড়ী জেলার দৌলতদিয়া পতিতা পল্লীর ১৫০০ জন যৌনকর্মীর মধ্যে এবং ঝিনেইদহ জেলায় বসবাসরত তৃতীয়লিঙ্গের ৫২ জন সদস্যদের নিকট অতি প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেয়া হয়।
সূত্র : বিডি ফাইন্যান্সিয়াল নিউজ ২৪.কম