দায়িত্বের স্বীকৃতি পেলেন অরুণা বিশ্বাস

সেন্সর বোর্ডের সদস্য হিসেবে দ্বিতীয় দফায় নিয়োগ পেলেন দেশের বিশিষ্ট অভিনেত্রী, প্রযোজক, পরিচালক অরুণা বিশ্বাস। জানা গেছে, গত ৬ ফেব্রুয়ারি তিনি সেন্সর বোর্ডের সদস্য পদে আগামী এক বছরের জন্য পুনঃনিয়োগ পান। এই নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো সেন্সর বোর্ডের সদস্য হলেন তিনি। বিষয়টি এই প্রতিবেদককে নিশ্চিত করে বেশ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন অরুণা বিশ্বাস। দ্বিতীয় দফায় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের সদস্য হিসেবে নিয়োগ পাওয়া প্রসঙ্গে অরুণা বিশ্বাস বলেন, এটি আমার জন্য অনেক সম্মানের এবং গর্বের। কারণ, আমি মনে করি – চলচ্চিত্র হচ্ছে আমাদের সমাজের দর্পণ। সেই দর্পণে দর্শক কী দেখবেন – তা নিশ্চিত করার নেপথ্য একজন মানুষ হিসেবে আমি এক বছর কাজ করলাম। কাজটি আমি নিষ্ঠার সঙ্গে করতে পেরেছি বলেই আবারও নিয়োগ পেলাম। গেলো এক বছর আমি আমার কাজে সর্বোচ্চ সচেতন থেকে, নীতিতে সৎ থেকে কাজ করার চেষ্টা করেছি। আর সেই চেষ্টার স্বীকৃতি পেলাম।
তিনি এই বিষয়ে আরও বলেন, আগামী এক বছরও আমি তাই করবো। দেশ গঠনে চলচ্চিত্র যেন সবসময়ই সহায়ক ভূমিকা পালন করে, সেই বিষয়টি মাথায় রেখেই চলচ্চিত্র সেন্সর করার চেষ্টা থাকবে আমার। সেই সঙ্গে সেন্সর বোর্ডের প্রতিটি সদস্যের। অবশ্যই সেন্সর বোর্ডের সদস্য হিসেবে কাজ করাটা আমি অনেক সম্মানের বলেই মনে করি। কারণ, রাষ্ট্র মূলত আমাকে এই কাজে নিয়োগ দিয়েছে। আমি মনে করি – আমার ওপর রাষ্ট্রের আস্থা আমাকে আগামী দিনে আরও ভালো কাজ করার ক্ষেত্রে অনুপ্রেরণা যোগাবে। আমি কৃতজ্ঞতা জানাই সেন্সর বোর্ডের সবার কাছে, যাদের সঙ্গে এক বছর সুন্দর ভাবে কাজ করার সৌভাগ্য হয়েছে।
দায়িত্বের স্বীকৃতি পেলেন অরুণা বিশ্বাস শুধু সেন্সর বোর্ডের সদস্য হিসেবেই চলতি সময়ে অরুণা বিশ্বাস আলোচিত নন, তিনি রাজনীতি আর তার অভিনয় মেধা দিয়েও আলোচিত এবং প্রশংসিত। তিনি দীপ্ত টিভিতে প্রচার চলতি ধারাবাহিক নাটক ‘ভালোবাসার আলো আঁধার’ এ নিয়মিত অভিনয় করছেন। এটি পরিচালনা করছেন গোলাম সোহরাব দোদুল। এছাড়াও অরুণা বিশ্বাস প্রায় শেষ করেছেন এম রহিম পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র ‘শান’ এর কাজ। তিনি জানান, এই ছবিতে তিনি পূজা চেরীর মায়ের চরিত্রে অভিনয় করছেন। ছবিতে আরও অভিনয় করছেন চম্পা, সিয়াম আহমেদসহ অনেকে।
সবশেষে অরুণা বিশ্বাস জানান, তিনি বইপ্রেমী একজন মানুষ। প্রতি বছর অমর একুশের বই মেলায় যাওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। তবে এখনও এবারের গ্রন্থমেলাতে যাওয়া হয়ে উঠেনি। কয়েকদিনের মধ্যেই যাবেন বলে জানালেন। সেই সঙ্গে নিজের একটি সুপ্ত বাসনার কথা জানালেন এই প্রতিবেদককে। তিনি বলেন, ইচ্ছে আছে আগামী বছরের একুশে গ্রন্থমেলায় নিজের লেখা একটি বই প্রকাশ করার। এটি হবে আমার বাবা-মাকে প্রশ্ন করে লেখা বই। ইতিমধ্যে এটি লেখার কাজে হাত দিয়েছি আমি।
রোমান রায়