অবশেষে আসছে ‘যৈবতী কন্যার মন’

বাংলা নাটকের শেকড়সন্ধানী নাট্যকার সেলিম আল দীনের অনবদ্য এক সৃষ্টি ‘যৈবতী কন্যার মন’।যা বাংলাদেশের মঞ্চ নাটকের অন্যতম সেরা নাটক বলা হয় এটিকে। অসংখ্য বার নাটকটি মঞ্চায়িত হয়েছে এবং তৈরি করা হয়েছে ধারাবাহিক।এবার এই বিখ্যাত এ নাটকটি’র অবলম্বনে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার বিজয়ী নির্মাতা নার্গিস আক্তার নির্মাণ করেছেন পূর্ণদৈর্ঘ্য ছবি।
২০১২-১৩ অর্থ বছরে সরকারী অনুদান পাওয়া ছবিটি প্রায় আট বছর পর আগামী বছরের মার্চে মুক্তি পেতে যাচ্ছে।
অনেক কিছু চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে ‘যৈবতী কন্যার মন’র শুটিং শেষ হয়েছে। সময়মত ছবি জমা দিতে না পারায় অনুদানের নিয়ম অনুযায়ী পরিচালকের সম্মুখীন হতে হয়েছিলো সার্টিফিকেট মামলার। তবে মামলা উঠে গেছে। তথ্য মন্ত্রণালয় দিয়েছে ছাড়পত্র। এইসব তথ্য জানালেন এই ছবির নির্মিতা নার্গিস আক্তার।
তিনি বলেন, ‘অনেক বড় হাফ ছেড়ে বাঁচলাম। এ-ই এক ছবির পিছনে আমার কত যে কষ্ট, পরিশ্রম গেছে তা আসলে ভাষায় প্রকাশের নয়।
এ ছবির কাজ শুরুর পর তিনি ‘পুত্র এখন পয়সাওয়ালা’ ও ‘পৌষ মাসের পিরিতি’ ছবি দুটি মুক্তি দিয়েছেন। তাহলে ‘যৈবতি কন্যার মন’-এ কেন এ দীর্ঘসূত্রিতা?
কোনো প্রকার রাখঢাক না রেখেই নির্মাতা নার্গিস আক্তার বললেন, ‘প্রথমত অনুদান পাওয়ার পর নতুন করে চিত্রনাট্য করতে করতেই এক বছরের অধিক সময় পার। এরপর যখন চরিত্র অনুযায়ী কাস্টিং করতে গেলাম, তখন গেলো আরও সময়। তাছাড়া সেলিম আল দীন এত বিশাল ক্যানভাসে কাহিনিটি লিখেছেন তা পর্দায় ফুটিয়ে তোলার জন্য চিত্রনাট্য বারবার সংশোধন করতে হয়েছে। তাছাড়া অনুদানের এত অল্প টাকায় বিশাল ক্যানভাসের ছবি করা কষ্টকর। আমাকে বাইরে থেকে প্রযোজক নিতে হয়েছিলো। সব মিলিয়ে দেরী হয়ে গেল।’ নার্গিস আক্তার জানালেন, ‘যৈবতী কন্যার মন’ আগামী ৩ জানুয়ারি সেন্সর বোর্ডে জমা পড়বে। ছবিটির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন কলকাতার সায়ন্তনী দত্ত ও নবাগত গাজী আবদুন নূর।
রোমান রায়