প্রশংসিত হয়ে ছাড়পত্র পেলো ‘ন ডরাই’, মুক্তি শুক্রবার

দেশের প্রথম সার্ফিং নিয়ে নির্মিত সিনেমা ‘ন ডরাই’ যা নির্মাণের শুরু থেকেই রয়েছে আলোচনায়।স্টার সিনেপ্লেক্স এর প্রথম প্রযোজনায় এটি নির্মিত হয়েছে। ইতোমধ্যে ‘ন ডরাই’ ছবির পোস্টার,গান, টিজার ও ট্রেলার দর্শকদের কাছে বেশ আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।কিন্তু ‘ন ডরাই’-এর মুক্তি নিয়ে সেন্সর বোর্ড থেকে সংশয় দেখা যায়।কারণ চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় নির্মিত চলচ্চিত্র ‘ন ডরাই’-এর বেশ কিছু সংলাপে আপত্তি থাকায় ছবিটির নির্ধারিত তারিখে মুক্তি নিয়ে সংশয় ছিলো। অবশেষে এই ছবির নির্মাতা তানিম রহমান অংশু জানালেন, ‘সেন্সর ছাড়পত্র মিলেছে, এখন আর কোনো সংশয় নেই। শুক্রবারেই মুক্তি পাচ্ছে ‘ন ডরাই’।’
সোমবার সন্ধ্যায় তানিম রহমান অংশ গণমাধ্যম’কে বলেন, সেন্সর ছাড়পত্র হাতে পেয়েছি। তবে সেন্সর বোর্ড থেকে নীতিমালা অনুযায়ি আমাদের কিছু দিক নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। যদিও কারেকশানগুলো খুব বেশি না, ছবির সৌন্দর্য যেন নষ্ট না হয় সেভাবেই আমরা দর্শকের সামনে ‘ন ডরাই’ উপস্থাপন করতে পারবো বলে আশা রাখছি।
এদিকে ‘ন ডরাই’ সেন্সর বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান নিজামুল কবীর বলেন, ‘ন ডরাই’ খুবই চমৎকার একটি ছবি। সেন্সর বোর্ডে প্রথমবার প্রদর্শনের পর সবাই ছবিটির ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। কিন্তু ছবির সংলাপে অনেকেই আপত্তি জানিয়েছেন। যেহেতু চট্টগ্রামের লোকাল ভাষায় নির্মিত হয়েছে ‘ন ডরাই’, তাই এই ছবির কিছু ‘স্পেসিফিক’ সংলাপ চট্টগ্রামের বাইরের জেলার মানুষের কাছে অশালীন লাগতে পারে। একথা ভেবেই বোর্ড মিটিংয়ে কিছু সংলাপের ব্যাপারে প্রযোজকের কাছে আপত্তি জানানো হয়। চিঠির মাধ্যমে তাদের জানানো হয়, অশালীন সংলাপগুলো যেন ফেলে দেয়া হয় কিংবা মিউট করে দেয়া হয়। তো সেভাবেই আবার তারা ছবিটি জমা দিয়েছেন। রবিবার সেন্সর বোর্ড আবার ছবিটি দেখে কিছু নির্দেশনা দিয়ে ছবিটিকে ছাড়পত্র দিয়েছেন।
সত্য ঘটনা অবলম্বন করে ‘ন ডরাই’-এর চিত্রনাট্য লিখেছেন দেবের বুনোহাঁস, ও বলিউড ছবি ‘পিংক’-এর চিত্রনাট্যকার কলকাতার শ্যামল সেনগুপ্ত। সিনেমার প্রায় নব্বই শতাংশ দৃশ্যধারণ হয়েছে কক্সবাজারে। সিনেমাতে চট্টগ্রামের ভাষা শুনতে পাবেন শ্রোতা-দর্শকরা। তবে তা সবাই যেন বুঝতে পারে সেভাবেই ব্যবহার করা হয়েছে। চলচ্চিত্রটিতে অভিনয় করেছেন শরিফুল রাজ, সুনেরা বিনতে কামাল প্রমুখ।
রোমান রায়