ইডেনে আকর্ষণের কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

২০০০ সালে বাংলাদেশের অভিষেক টেস্টের উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে। টাইগারদের সে ঐতিহাসিক ম্যাচের প্রতিপক্ষ ছিল ভারত। ১৯ বছর পর আরেকটি ঐতিহাসিক টেস্ট ম্যাচের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কলকাতার ইডেন গার্ডেনসে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার প্রথম দিবারাত্রির টেস্টের উদ্বোধন করেন তিনি।
দুপুর পৌনে ১টায় ইডেন গার্ডেনসে এসে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। ইডেনের ক্লাব হাউসের ভিআইপি স্ট্যান্ডে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলী, বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন, ডেপুটি হাইকমিশনার শফিকুল ইমাম, সিএবি সহসভাপতি নারেশ ওঝা, সভাপতি অভিষেক ডালমিয়া। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও উপস্থিত ছিলেন তখন। টস হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীকে মাঠে নিয়ে যাওয়া হয় দু’দলের ক্রিকেটারদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে। বিরাট কোহলি তার দলের খেলোয়াড়দের পরিচয় করিয়ে দেন। মুমিনুল হক পরিচয় করিয়ে দেন টাইগার স্কোয়াডের সদস্যদের। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শচীন টেন্ডুলকার, অনীল কুম্বলে, ভিভিএস লক্ষ্মণ ও সুনীল গাভাস্কার। পরিচিতি পর্বে বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট দলের খেলোয়াড়দের পরিচয় করে দেন সে ম্যাচের অধিনায়ক নাঈমুর রহমান দুর্জয়। পরিচয় পর্ব শেষে অতিথিরা ক্লাব হাউসে উঠে আসেন। এ সময় দু’দেশের সাবেক ক্রিকেটাররাও ছিলেন। দু’দেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশন শেষে ইডেনের ঘণ্টি বাজিয়ে ম্যাচ শুরুর ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী। খেলা শুরু হলে ভিআইপি বক্সে প্রধান অতিথির আসন নেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশের সরকারপ্রধানের পাশের আসনে বসেছিলেন ভারতের কিংবদন্তি ব্যাটসম্যান শচীন টেন্ডুলকার। কিছুক্ষণ খেলা দেখার পর বিকেল সাড়ে ৩টায় মাঠ ছেড়ে যান প্রধানমন্ত্রী। রাত সাড়ে ৮টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ফের মাঠে আসেন। বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতার হাতে স্মরক তুলে দেন। বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনও ক্রেস্ট দেন সৌরভকে। প্রথম টেস্ট দলের সদস্যদের স্মারক তুলে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভারতের বর্তমান টেস্ট দল ও সাবেক ক্রিকেটারদের হাতে স্মারক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে প্রধানমন্ত্রী প্রথম দিনের খেলার শেষাংশ মাঠে বসে দেখেন। দিনের খেলা শেষে রুনা লায়লার গান উপভোগ করেন।
সৌরভ তার স্বাগতিক বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন নিমন্ত্রণ গ্রহণ করায়। বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন সৌরভকে ধন্যবাদ জানান গোলাপি বলের দিবারাত্রির টেস্ট আয়োজন ও বিশেষ অনুষ্ঠান করায়।
আলমগীর কবির