পপির বিয়ে না করার কারণ!

ঢালিউডের লাস্যময়ী, আকর্ষণীয় অনেক তারকাই আছেন। কিন্তু এর পাশাপশি অভিনেয়ে শক্তিশালী অভিনেত্রীদের মধ্যে অন্যতম সাদিকা পারভিন পপি। তার রূপ লাবণ্যের সাথে সমান ভাবে আছে অভিনয় ক্ষমতা। ৪০ বছর বয়সী এ নায়িকা ক্যারিয়ারে জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন তিনবার। একাধিক ব্যবসা সফল ছবি উপহার দেয়া এ নায়িকা ব্যক্তি জীবনে এখনো অবিবাহিত। আর তা নিয়ে ভক্তদের মনে প্রশ্নের শেষ নেই।
ক্যারিয়ারে লাগাম টানা গঙ্গাযাত্রা খ্যাত এ নায়িকা মডেলিং, সিরিজ, নাটক, চলচ্চিত্র সব ক্ষেত্রেই সেরা। সমসাময়িক সকল নায়িকা পরিবার সংসার নিয়ে জীবনে ব্যস্ত হলেও, তবে পপি কেনো এখনো একা। এই প্রশ্নের সদুত্তর মেলেনি কখনো।
সম্প্রতি জাতীয় দৈনিকে এক সাক্ষাৎকারে এখনো বিয়ে না করা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘বিয়ে বড় একটি সিদ্ধান্ত। জীবনসঙ্গী হিসেবে একজন সঠিক মানুষের জন্য অপেক্ষা করছি। জীবনসঙ্গী হিসেবে একজন সৎ মানুষ খুব জরুরি। আর চারদিকে প্রতিনিয়ত এত এত বিবাহবিচ্ছেদের খবর পাচ্ছি। আবার কিছু কাছের মানুষের বিবাহিত জীবনের অশান্তি দেখে এখন নিজেই বিয়ে করতে ভয় পাই।’ পপি ১৯৭৯ সালের ১০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের খুলনা জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। ছয় ভাইবোনের মধ্যে বড় পপি। পরিবারের অনিচ্ছাতে মিডিয়াতে আসা এ নায়িকা, ১৯৯৫ সালে একটি ফটোসুন্দরী প্রতিযোগিতার মাধ্যমে মিডিয়ায় অভিষেক করেন। পরবর্তীতে মনতাজুর রহমান আকবর পরিচালিত ‘কুলি’ ছবিতে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে তার। যদিও শাকিল খানের বিপরীতে সোহানুর রহমান সোহানের পরিচালনায় ‘আমার ঘর আমার বেহেশত’ ছবিতে প্রথম ক্যামেরার সামনে আসেন। আর এই ছবির মাধ্যমেই কোটি দর্শকের প্রিয় হয়ে উঠেন তিনি।
তার ক্যারিয়ারের সেরা চলচ্চিত্র গুলোর মধ্যে রয়েছে, ‘কুলি, ‘আমার ঘর আমার বেহেশত’, ‘দরদী সন্তান’, ‘লাল বাদশা’, ‘বিদ্রোহী পদ্মা’, ‘রানীকুঠির বাকী ইতিহাস’, ‘মেঘের কোলে রোদ’, ‘গঙ্গাযাত্রা’, ‘কি যাদু করিলা’, ‘পৌষ মাসের পিরীত’। পপি ‘কারাগার’ (২০০৩), ‘মেঘের কোলে রোদ’ (২০০৮) ও ‘গঙ্গাযাত্রা’ (২০০৯) ছবি গুলোর জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় পুরস্কার পান।
রোমান রায়