নায়করাজ এর জন্মদিনে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা

‘নায়করাজ’ এই একটি উপাধি চিনিয়ে দেয় একজন মানুষকে। একজন তারকাকে। শুধু নিজের দেশে নয়, দেশের সীমানা ছাড়িয়ে, বাংলা ভাষাভাষী মানুষ পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুন না কেন, ” নায়করাজ” উচ্চারণ করলেই, এক লহমায় বুঝে নেন কার কথা বলতে চাইছি। তিনি নায়করাজ রাজ্জাক। আমার অত্যন্ত শ্রদ্ধার এই মানুষটিকে নিয়ে ছোট করে লিখার কোন অবকাশ নাই। তাঁকে নিয়ে লিখতে গেলে প্রয়োজন গ্রন্থের। কয়েক খন্ডের গ্রন্থ। এ দেশের চলচ্চিত্র শিল্পের ভিত্তি বুনিয়াদ শক্ত করতে তাঁর অপরিসীম অবদান চির স্মরণীয় হয়ে থাকবে। বলা যেতে পারে দেশীয় চলচ্চিত্রের ভিত শক্ত হয়েছে যে শিল্পীর অবদানে, সেই কিংবদন্তি, নায়করাজ রাজ্জাক। একাধারে অভিনয় শিল্পী, প্রযোজক এবং পরিচালক। তাঁর নির্মাণ করা চলচ্চিত্র যেমন ব্যাবসা সফল হয়েছে, তেমনি সুনির্মিত ছবি হিসেবে প্রশংসিত হয়েছে। পেয়েছেন ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’। প্রধান চরিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনয়ের জন্য পাঁচবার পেয়েছেন জাতীয় পুরস্কার। ২০১৩ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে নায়করাজ রাজ্জাক আজীবন সম্মাননা অর্জন করেন। এ ছাড়াও বেশ ক’বার বাচসাস সহ পেয়েছেন অনেক পুরস্কার, পদক ও সম্মাননা। ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি গঠিত হবার পর তিনি ছিলেন প্রথম সভাপতি। জাতিসংঘের জনসংখ্যা তহবিলের শুভেচ্ছা দূত হিসেবে কাজ করেছেন নায়করাজ রাজ্জাক। আজ ২৩ জানুয়ারি নায়করাজ রাজ্জাকের জন্মদিন। শ্রদ্ধা, শুভেচ্ছা এবং ভালোবাসা এই প্রিয় মানুষটির জন্য। মহান আল্লাহ যেন তাঁকে বেহেশত নসীব করেন।

মুজতবা সউদ